শনিবার, ১৮ Jul ২০২৬, ০৬:৩৩ পূর্বাহ্ন
গেল বছর ইরাকে মার্কিন স্থাপনায় ইরান সমর্থিত মিলিশিয়াদের হামলার মাত্রা বেড়ে যাওয়ার পর ট্রাম্প প্রশাসন সিদ্ধান্ত নেয়, ২০২১ সালের শেষ নাগাদ সেনাদের সরিয়ে নেয়া হবে। এখন দেশটিতে সামরিক উপদেষ্টা, কৌশলগত সহায়তাকারীসহ প্রায় ৩ হাজার মার্কিন সেনা রয়েছে। তবে বাইডেনের নতুন প্রশাসন এসে বলছে, ইরাককে সহায়তায় দেশটিতে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বজায় থাকবে। এরপরও, মনে করা হচ্ছে আফগানিস্তানের পর ইরাক থেকেও নিজেদের গুটিয়ে নিতে পারে মার্কিনিরা।
তালেবানের হাতে আফগান সরকারের পতনের পর তাই প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, মার্কিন সেনারা চলে গেলে ইরাকও কি কোন উগ্র গোষ্ঠীর হাতে পড়তে যাচ্ছে? এই শঙ্কার যথেষ্ট কারণ আছে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশের মতোই ইরাকের দুর্বল সরকার ব্যবস্থা, প্রবল দুর্নীতিগ্রস্ত সামরিক বাহিনী আর সাথে যোগ হয়েছে বিভাজনের রাজনীতি।
তাই তালেবানের অভিযানের মুখে যেভাবে তাসের ঘরের মত ভেঙে পড়েছে আফগান নিরাপত্তা বাহিনী, একইভাবে আইএস কিংবা অন্য কোন সশস্ত্র সংগঠনের হামলায় ধসে যেতে পারে ইরাকি বাহিনীর প্রতিরোধও। কয়েক বছর আগে, জঙ্গিগোষ্ঠী আইএসের হামলায় একরকম অস্ত্রশস্ত্র রেখেই পালিয়ে যায় ইরাকি সেনারা। বিনা বাধায় সিরিয়া সীমান্তবর্তী তিনটি বড় প্রদেশ দখল করে নেয় আইএস।